নষ্ট ছেলে

By | October 5, 2021

নিলয় মা বাবার খুব আদরের একটি মাত্র ছেলে। তার মা বাবা তাকে কখনো কোনো রকম কষ্ট দিত না। কখনো কোনো কিছুর অবাব বুঝতে দিতনা। কারন তার ছেলে কষ্ট পাবে। তারা খুব ভালবাসত তাকে।

নিলয় ক্লাস এইট এ পড়াশোনা করে। নিলয় ইস্কুলেও সবার চোখে ভালো একটা ছেলে ছিল। সবাই তাকে অনেকটাই ভালোবসত। আর ও এইটাই চায়ত যে সবাই তাকে ভালো মনে করুক ভালোবাসুক।

নিলয় তার ইস্কুলের এবং কি তার ক্লাসের কোনো মেয়ের সাথে কথা বলতে চায়ত না। কিন্তু সে আবার অনেক স্টাইল মেরে চলত। কারন মেয়েরা যেন তাকে দেখে একটু দুর্বল থাকে। অনেক মেয়ে তাকে প্রেমের প্রপোজাল দিত। কিন্তু সে সাথে সাথে না করে দিত। এটাই তার এক দরনের স্টাইল ছিল।

একদিন নিলয় তার ইস্কুল ফাকি দিয়ে অন্য আরেকটা ইস্কুলে গেলো তার কয়েকটা বন্ধুদের সাথে দেখা করতে।
তখন নিলয় তার বন্ধুর ইস্কুলের বারান্দায় বসে আড্ডা দিতেছিল অনেক খন আড্ডা দিয়ার পর সে চলে আসলো?
কিন্তু সে পরের দিন আবার চলে আসলো তার বন্ধুর সাথে দেখা করতে। এইভাবে সে মাঝে মাঝেই আসত। কিন্তু সে তার বন্ধুদের সাথে তেমনে কথা বলত না। সে অন্য কিছু বাবত তখন তার এক বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করলো বন্ধু তর কি হয়েছে। তুই ত আমাদের সাথে দেখা করতে আসিন না অন্য কিছু আছে। তখন সে তার বন্ধুদের জিজ্ঞেস করলো বন্ধু ও-ই মেয়েটি কে। তখন তার বন্ধুরা তাকে এই মেয়েটার বেপারে সব কিছু বলে। আসলে মেয়েটা অনেক দেমাকি ছিল। আর অনেকটাই তার মত ছিল। মা বাবার একমাত্র মেয়ে।
নিলয় তার বন্ধুদের বল্লো আমি এই মেয়েটার সাথে প্রেম করব। তার বন্ধুরা তাকে সাথে সাথে না করে দিল। কোন ভাবেই এইটা সম্ভব না কারন মেয়েটা কারও সাথে প্রেম করতে চায়ত না। তখনি বন্ধুদের সাথে বাজি দরে যে সে এই মেয়েটার সাথে প্রেম করবে। তার বাজিটা এমন ছিল। যে এই মেয়েটার সাথে প্রেম করতে পারলে ও যা খায়তে চায়বে তাকে তাই খাওয়ানো হবে। তখন থেকেই নিলয়ের মনে একাটা রাক চলে আসে।
আর নিলয়ের একটা সমস্যা ছিল সে কারও কাছে হার মানত না কোন সময়।আর ওইদিন দিন থেকেই নিলয় মেয়েটার পিছনে লেগে পরে। তবে নিলয়ে আরেকটা দিগ ভালো ছিল সে যেকোনো মেয়ের মন বুঝতে পারত সহজেই। যে এই মেয়েটা কেমন ছেলেদের পছন্দ করে কেমনে। এই গুলো বুঝতে বুঝতে তার কয়েক দিন লাগলো কারন এই মেয়েটি ত তারি মতই।
যাইহোক কয়েক দিন এইভাবে চলতে চলতে সে মেয়েটিকে তার প্রেমের জালে ফেলে দিল। সে এখন অনেক খুশি। তারপর তার বন্ধুরা তাকে নিয়ে অনেক বড় একটা পাটি দিল। কিছু দিন যাওয়ার পর সে আসতে আসতে বুঝতে পারলো যে মেয়েটা তাকে অনেক বেশি ভালবাসে। সে তখন খুব বয় পায়ত। সবসময় খুব বয়ে থাকত। কারন মেয়েটা যদি তার এই নাটক গুলো জানতে পারে ত মেয়েটা অনেক কষ্ট পাবে। আর সে মেয়েটাকে কষ্ট দিতে চায়ত না। কারন সে-ও মেয়েটাকে একটু একটু করে ভালোবাসতে শুরু করছে। সে চায়না মেয়েটাকে হারাতে।
কিন্তু না হঠাৎ একদিন তারি এক বন্ধু মেয়েটাকে সব বলে দিল। মেয়েটা এই কথা গুলো যখন শুনতেছিল তখন দুই চোখ দিয়ে ঝর্ণা বয়তেছিল মেয়েটা কথা গুলো শুনার পর আর কিছু না বলেই চলে গেল। বাসায় গিয়ে নিলয় কে ফোন দিল শুধু একটা কথায় বল্লো যে আমি তোমায় আমার চায়তে অনেক বেশি ভালোবেসেছিলাম আর এই ভালোবাসার প্রতিদান তুমি এইভাবে দিলা। আমি কোন দিনও কল্পনা করতে পারিনাই যে তুমি আমার সাথে নাটক করছ।
যাইহোক তুমি জিতে গেছ আমি হেরে গেছি।
এই কথাটি বলে মেয়েটি ফোনটা কেটে দিল। নিলয় অনেক বার তাকে ফোন দিল কিন্তু সে ফোনটা তুলে নাই। পরে সে ফোনটা অফ করে দিল। পরের দিন সকালে মেয়েটি এই সহর ছেড়ে চলে গেল অন্য এক সহরে তার ভাইয়ার বাসায়। আর নিলয় পাগলের মত হয়ে গেল সুধা একটা কথা বলার জন্য। কিন্তু না নিলয় সেটা পারল না।

আসলে কিছু কিছু ভালোবাসা জীবন নষ্ট করে আবার কিছু ভালোবাসা জীবন টাকে সুন্দর করে

Leave a Reply

Your email address will not be published.