নিষ্টুর ভালোবাসা

By | January 31, 2022

আঁখি খুব শান্ত একটি মেয়ে আছিল। মা বাবার খুব আদরের একটি সন্তান।
আঁখির বয়স ছিল ১৯ বসর। ডিগ্রি সেকেন্ড ডিয়ারে পড়ে। তার একটা দিগ একটু অন্য রকম ছিলো সে কোন ছেলের সাথে প্রেম করত না। কিন্তু তখন তার প্রেম করতে ইচ্ছে হত। কারন তার সব বন্ধুরা প্রেম করত। আর সবাই তাকে নিয়ে মঝা করত। বাট সে কি করবে সে ত কোন ছেলেকে বিশ্বাস করতে পারত না।

আর অনেক আগে থেকেই তাকে একটা ছেলে ফোন দিত। কিন্তু সে তাকে পছন্দ করত না তারি এলাকার সেই ছেলেটা। একদিন সেই ছেলেটা তার কলেজে জাই তখন তার বন্ধু তার ফোন থেকে মেয়েটির নাম্বার টা নিয়ে আসে। তখন তার বন্ধু লোকিয়ে লোকিয়ে আখিকে ফোন দিত। আর আখিকে পটানোর চেষ্টা করত বাট আখি কেমন ছেলেকে পছন্দ করত সে ত এটা জানতই না। সে তখন তার কয়েকটা বন্ধুর সাথে কথা বলে এই বেপারটা নিয়ে। তখন তারা সব বন্ধু মিলে একটা প্লেন করে। যে তাদের একটা বন্ধু আছে সে যেকারও সাথে বাজি দরে মেয়েদের সাথে প্রেম করত।
আর সে হলো নিলয়।

আর তারা প্লেন করে নিলয়ের সাথে তার বাজি দরে।
আর নিলায় ত রাজি হয়ে যাই সহজেই।
তারপর কয়েক দিন কথা বলে তারা এবং খুব সহজেই নিলয় তার সাথে প্রেম করে ফেলে।
যাই হক নিলয় ত বাজি জিতেই গেলো। তার কাজ শেষ। তার পর সে তার বন্ধুদের নিয়ে একদিন আঁখির সাথে দেখা করে। আর এইদিন রাতেই সে ভাবছি আঁখিকে সব কিছু খুলে বলবে কিন্তু সে একটু কথা বলতেই আঁখি খুব কান্না করছিল। কিন্তু তার পার সে আর পারল না বলতে আঁখিকে এই নাটকের বেপারে।

এইভাবেই কিছু দিন চলে পরে একদিন আঁখি কাছে নিলয়ের বন্ধু যে কথা বলত সে সবকিছু বলে দিল। তখন বিকাল বেলা। এই কথা গুলো শুনে আঁখি খুব খুব কদতে থাকলো আর কিছু খন পড়ে নিলয়কে ফোন দিয়ে বল্লো তুমি আমার সাথে কাল দেখা করও। নিলয় বল্লো কেন আমরা ত আজকেই দেখা করলাম। তবুও আঁখি বল্লো কালকেও করব দেখা তুমি আসবে। তার পর নিলয় বল্লো আচ্ছা।

পরের দিন আঁখি নিলয় দেখা করে এক পার্কে আঁখি কাদতে কাদতে নিলয় কে সবকিছুই বলে আর একটি কথাই জানতে চাই কেন সে তার সাথে এমন টা করলো।
নিলয় ত খুব চালাক আছিল তাই সে সহজেই আঁখিকে বুজিয়ে ফেলে। আর আঁখিও সহজ ভাবেই সব বিশ্বাস করে ফেলে।

এইভাবে তাঁদের প্রেম অনেক দিন হয়ে যাই। এখন আঁখির বাসা থেকে তার বিয়ের চাপ দিতেছে। আঁখি নিলয় কে এই বেপার টা কানাই কিন্তু নিলয় বলে দেখ আমি ত এখন কিছুই করি না আমার কোন চাকরি ব্যবসা কোনটাই নাই ত আমি তোমায় কেমনে বিয়ে করব। এই সব বলে আঁখির মনকে হালকা করে ফেল্ল। আর আঁখিও তার বাবা মার কাছ থেকে এক বছর সময় নিয়ে নিল। কিন্তু আঁখি গাদার মত তার এই সব বুঝতে পরেনা যে নিলয় এখোনও তার সাথে নাটক করছে।

এই বাবেই আর-ও একটি বসর চলে গেলো এখন আঁখির বাসা থেকে আবার একি চাপ বিয়ের। তখন নিলয় কে এই বেপার টা জানাই কিন্তু সে আবারও আঁখিকে বুকা বানিয়ে ফেল্লো।
আর আবারও আঁখি তাঁর বাবা মার কাছ থেকে এক বছর সময় চাইলো কিন্তু তার বাবা মা কোনো মতোই রাজি হচ্ছে না পড়ে অনেক রাগা রাগীর পর তার বাবা মা আবারও সময় দিল

এর মাঝখানে তাদের প্রেম তিন বছর চলে।
তারপর একদিন হঠাৎ করে নিলয় আঁখির সাথে তেমন কথা বলতে চায়না দেখা করতে চায়না তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে।

কারনটা হলো নিলয়ের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে অন্য আরেক টা মেয়ের সাথে
কিন্তু নিলয় এটা আঁখিকে বলতে পারছিল না কারন সে জানত যে আঁখি তাকে পাগলের মতন ভালোবাসে। আর নিলয় কিন্তু আঁখি সাথে ঝগড়া করতে চায়ছি আর নিলয় আঁখি সাথে ভালো করে কথা বলে না এটা আখির ভালো লাগে না তাই আঁখি একদিন কদতে কাদতে বল্লো তুমি আমার সাথে কয়েক দিন দরে এইভাবে কথা বলছ কেন আমার অনেক খারাপ লাগে আমি খুব কষ্ট পাই।
আর নিলায় খন আঁখিকে বুঝিয়ে বল্লো যে তোমার সাথে আমার জায় না। তুমি আমাকে বুলে যাও তুমি তোমার মা বাবা পছন্দ করা ছেলের সাথে বিয়ে করে ফেল।আর আঁখি একটি কথাই বার বার বলতে লাগলো যে আমি তোমাকে ছাড়া অন্য কাওকে বিয়ে করতে পারব না আমি শুধু তোমার হতে চাই।
আর তখনি নিলয় রেগে বল্লো তকে আমার আর ভালো লাগে না আর আমার বিয়ে ঠিগ তুই আমায় বুলে যা আমিও তকে বুলে যাব।
এই বলে নিলয় আঁখির ফোন নাম্বার ব্লগ করে ফেলে সব কিছু থেকে আঁখিকে ব্লক করে ফেলে। আর আঁখি বাবছে হয়ত বা তার রাগ হয়েছে বলেই সে এমন টা করছে

কিন্তু না সত্যি সত্যি নিলয় বিয়ে করে ফেলে।

আসলে নিলয়রও কিছু করার ছিলো না তার বাবা মা পছন্দ করেছে আর সেও তার পছন্দের কথা তার বাবা মাকে বলতে পারছিল না কারন তার বাবা মা অনেক আগেই তাকে ওয়াদা দিয়ে বলে যে বাবা যাই করও না কেন তোমার বিয়েটা আমরা মেয়ে দেখে আমাদের পছন্দ মত বিয়ে করাব। তুমি একটা মেয়ে এনে বলবে মা আমার একে পছন্দ আমি একে বিয়ে করতে চাই বা করে ফেলেছি এটা বাবা করও না। আর তখন নিলয় তার মা কে কথা দিয়ে দিয়েছিল যে সে এটা করবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.